সংক্ষেপে উত্তর
বাংলাদেশিদের কি নেপাল যেতে ভিসা লাগে?
হ্যাঁ, তবে বাংলাদেশি পাসপোর্টধারীরা নেপাল পৌঁছে অন-অ্যারাইভাল ভিসা নিতে পারেন। প্রসেসিংয়ে সাধারণত ০ কর্মদিবস লাগে। ভিসা ফি USD ৩০। সর্বোচ্চ ৩০ দিন থাকা যায়। ঢাকায় আবেদন জমা দিতে হয় এখানে: নেপাল দূতাবাস, ঢাকা।
সম্প্রতি কী বদলেছে?
- ঢাকার নেপাল দূতাবাসের প্রি-অ্যারাইভাল eTA-র নতুন ফি টেবিল কার্যকর হয়েছে: ১৫ দিন মাল্টিপল এন্ট্রির জন্য ৩,৬৩০ টাকা, ৩০ দিনের জন্য ৬,০৫০ টাকা, ৯০ দিনের জন্য ১৫,১২৫ টাকা।
নেপাল ভিসার জন্য কী কী কাগজ লাগবে?
কাগজ জোগাড় হলে টিক দিন — আপনার অগ্রগতি এই ডিভাইসে সংরক্ষিত থাকবে।
৮টির মধ্যে ০টি প্রস্তুত
নেপাল ভিসার খরচ কত?
জনপ্রতি হিসাব। অফিসিয়াল ফি দূতাবাস, ভিসা সেন্টার বা পোর্টালে দিতে হয়; আমাদের সার্ভিস ফি আলাদা।
অন-অ্যারাইভাল ভিসা
| ফি | জনপ্রতি |
|---|---|
| অন-অ্যারাইভাল ভিসা, ১৫ দিন | USD ৩০ |
| অন-অ্যারাইভাল ভিসা, ৩০ দিন | USD ৫০ |
| অন-অ্যারাইভাল ভিসা, ৯০ দিন, মাল্টিপল এন্ট্রি | USD ১২৫ |
| ফ্লাইনেক্সট সার্ভিস ফিফ্লাইনেক্সটকে দিতে হয় | জিজ্ঞাসা করুন |
প্রি-অ্যারাইভাল eTA (নেপাল দূতাবাস, ঢাকা)
| ফি | জনপ্রতি |
|---|---|
| দূতাবাসের eTA, ১৫ দিন মাল্টিপল এন্ট্রি (১ এপ্রিল ২০২৬ থেকে কার্যকর ফি)দূতাবাসে দিতে হয় | ৳৩,৬৩০ |
| দূতাবাসের eTA, ৩০ দিন (১ এপ্রিল ২০২৬ থেকে কার্যকর ফি)দূতাবাসে দিতে হয় | ৳৬,০৫০ |
| দূতাবাসের eTA, ৯০ দিন (১ এপ্রিল ২০২৬ থেকে কার্যকর ফি)দূতাবাসে দিতে হয় | ৳১৫,১২৫ |
| ফ্লাইনেক্সট সার্ভিস ফিফ্লাইনেক্সটকে দিতে হয় | জিজ্ঞাসা করুন |
| আমাদের সার্ভিস ফি ছাড়া মোট | ৳২৪,৮০৫ |
বিনামূল্যে সার্ক ভিসা, বছরের প্রথম সফর
| ফি | জনপ্রতি |
|---|---|
| বছরের প্রথম সার্ক ভিসা, ৩০ দিন | ফ্রি |
| ফ্লাইনেক্সট সার্ভিস ফিফ্লাইনেক্সটকে দিতে হয় | জিজ্ঞাসা করুন |
| আমাদের সার্ভিস ফি ছাড়া মোট | ≈ ৳০ |
নেপাল ভিসার আবেদন কীভাবে করব?
- ১
ঠিক করুন: অন-অ্যারাইভাল, না দূতাবাসের eTA
বেশিরভাগ বাংলাদেশি যাত্রী সহজেই বিমানবন্দরে অন-অ্যারাইভাল ভিসা নিয়ে নেন — সেদিনই মেলে। পাসপোর্টে আগে থেকেই ভিসা নিয়ে যেতে চাইলে দূতাবাসের প্রি-অ্যারাইভাল eTA বেছে নিন।
- ২
যাত্রার আগে ফর্ম পূরণ করুন
অন-অ্যারাইভাল ভিসার জন্য nepaliport.immigration.gov.np-এ আগে থেকে অ্যারাইভাল ফর্ম পূরণ করে রাখুন, বিশেষ করে পিক সিজনে দ্রুত ইমিগ্রেশন পার হতে সুবিধা হবে। ছবি ও পাসপোর্টের তথ্য হাতের কাছে রাখুন।
- ৩
অথবা eTA-র জন্য ঢাকা দূতাবাসে আবেদন করুন
রবি থেকে বৃহস্পতিবার সকাল ৯:৩০–দুপুর ১২:৩০-এর মধ্যে পাসপোর্ট, ছবি, আবেদন ফর্ম ও আইডি কপি জমা দিন ইউনাইটেড নেশনস রোড-০২, বারিধারা ডিপ্লোম্যাটিক এনক্লেভ, ঢাকা-১২১২ ঠিকানায়। ২ কর্মদিবস পর বিকেল ৪:০০–৫:০০-এর মধ্যে সংগ্রহ করুন।
- ৪
ফি দিন ও পৌঁছান
বিমানবন্দরে পৌঁছে ভিসা কাউন্টারে ডলারে নগদ বা কার্ডে ফি দিন, যদি না এটি বছরের প্রথম বিনামূল্যে সার্ক সফর হয়। দূতাবাসে বেছে নেওয়া মেয়াদ অনুযায়ী টাকায় ফি দিন।
ঢাকায় কোথায় আবেদন করব?
নেপাল দূতাবাস, ঢাকা
ইউনাইটেড নেশনস রোড-০২, বারিধারা ডিপ্লোম্যাটিক এনক্লেভ, ঢাকা-১২১২
জমা রবি–বৃহস্পতিবার সকাল ৯:৩০–দুপুর ১২:৩০, সংগ্রহ বিকেল ৪:০০–৫:০০। এই পথ প্রি-অ্যারাইভাল eTA-র জন্য; অন-অ্যারাইভাল ভিসার জন্য দূতাবাসে যেতে হয় না।
নেপাল ভিসা নিয়ে মানুষ আর কী জানতে চায়?
হ্যাঁ। বাংলাদেশি পাসপোর্টধারীরা ত্রিভুবন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর (কাঠমান্ডু), পোখারা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, গৌতম বুদ্ধ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর (লুম্বিনী) ও স্থলবন্দরে পৌঁছে টুরিস্ট ভিসা পান, ১৫, ৩০ বা ৯০ দিনের মেয়াদ বেছে নিয়ে ডলারে নগদ বা কার্ডে ফি দিয়ে।
প্রথমবার, হ্যাঁ। সার্কভুক্ত দেশ হিসেবে বাংলাদেশ প্রতি ক্যালেন্ডার বছরে (১ জানুয়ারি–৩১ ডিসেম্বর) একবার বিনামূল্যে ৩০ দিনের টুরিস্ট ভিসা পায়। একই বছরে দ্বিতীয় সফরে বা ভিন্ন মেয়াদে স্বাভাবিক অন-অ্যারাইভাল ফি লাগে।
এটি ঐচ্ছিক। অন-অ্যারাইভাল ভিসা বিমানবন্দরেই সেদিনই ইস্যু হয়, তাই বেশিরভাগ যাত্রীর দূতাবাসে যাওয়ারই দরকার হয় না। যাঁরা যাত্রার আগেই ভিসা নিশ্চিত করে রাখতে চান, তাঁদের জন্য eTA ভালো — বিনিময়ে সময় লাগে ঢাকা দূতাবাসের মাধ্যমে ২ কর্মদিবস।
নেপাল টুরিস্ট ভিসার জন্য ন্যূনতম ব্যাংক ব্যালেন্সের কোনো নির্দিষ্ট অঙ্ক প্রকাশ করেনি। মানতে হবে এমন কোনো সংখ্যা নেই, তবে সীমান্তে ইমিগ্রেশন কর্মকর্তা চাইতে পারেন ভেবে সাম্প্রতিক ব্যাংক স্টেটমেন্ট সঙ্গে রাখা ভালো।
না। ভিসা দেওয়া হবে কিনা, সেই সিদ্ধান্ত নেয় কেবল দূতাবাস, হাইকমিশন বা ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ। তাই কোনো এজেন্সিই সৎভাবে ভিসার গ্যারান্টি দিতে পারে না। আমরা নিশ্চিত করি যে আপনার ফাইল সম্পূর্ণ, তথ্যগুলো একটার সঙ্গে আরেকটা মেলে এবং অফিসিয়াল চেকলিস্ট অনুযায়ী সাজানো, যাতে প্রত্যাখ্যানের সাধারণ কারণগুলো এড়ানো যায়। বাড়তি টাকার বিনিময়ে “গ্যারান্টি ভিসা”র প্রতিশ্রুতি দিলে সতর্ক থাকুন।
হ্যাঁ। প্রত্যাখ্যানের চিঠি (রিফিউজাল লেটার) আর আগে জমা দেওয়া কাগজপত্র আমাদের পাঠান। দূতাবাস যে কারণ দেখিয়েছে, যেমন আর্থিক প্রমাণ দুর্বল, ভ্রমণের উদ্দেশ্য অস্পষ্ট বা কাগজ অসম্পূর্ণ, সেটি ঠিক করে তারপর নতুন আবেদন করা হয়। একই ফাইল দিয়ে আবার আবেদন করলে ফলাফল সাধারণত একই হয়। আবেদন ফর্মে জানতে চাইলে আগের রিফিউজালের কথা অবশ্যই উল্লেখ করুন; গোপন করলে দীর্ঘ মেয়াদে নিষেধাজ্ঞা আসতে পারে।
দূতাবাসের নিয়ম যেকোনো সময় বদলাতে পারে। আবেদনের আগে সর্বশেষ চেকলিস্ট নিশ্চিত করতে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন।







