সংক্ষেপে উত্তর
বাংলাদেশিদের কি মালদ্বীপ যেতে ভিসা লাগে?
হ্যাঁ, তবে বাংলাদেশি পাসপোর্টধারীরা মালদ্বীপ পৌঁছে অন-অ্যারাইভাল ভিসা নিতে পারেন। প্রসেসিংয়ে সাধারণত ০ কর্মদিবস লাগে। কোনো ভিসা ফি লাগে না। থাকার মেয়াদ: সরকারিভাবে নির্দিষ্ট নয় — অ্যারাইভালে নির্ধারিত হয়।
সম্প্রতি কী বদলেছে?
- ইসরায়েলি পাসপোর্টে মালদ্বীপে প্রবেশ বন্ধ হয়েছে। এতে বাংলাদেশি পাসপোর্টধারীদের কোনো প্রভাব নেই।
মালদ্বীপ ভিসার জন্য কী কী কাগজ লাগবে?
কাগজ জোগাড় হলে টিক দিন — আপনার অগ্রগতি এই ডিভাইসে সংরক্ষিত থাকবে।
কে আবেদন করছেন?
একটি বেছে নিন, সেই অবস্থার জন্য বাড়তি কাগজগুলো তালিকায় যোগ হবে।
৬টির মধ্যে ০টি প্রস্তুত
মালদ্বীপ ভিসার খরচ কত?
জনপ্রতি হিসাব। অফিসিয়াল ফি দূতাবাস, ভিসা সেন্টার বা পোর্টালে দিতে হয়; আমাদের সার্ভিস ফি আলাদা।
| ফি | জনপ্রতি |
|---|---|
| টুরিস্ট ভিসা অন অ্যারাইভাল | ফ্রি |
| ইমুগা (IMUGA) ট্র্যাভেলার ডিক্লারেশন (বাধ্যতামূলক, প্রতি যাত্রীর জন্য)অনলাইনে দিতে হয় | ফ্রি |
| ফ্লাইনেক্সট সার্ভিস ফিফ্লাইনেক্সটকে দিতে হয় | জিজ্ঞাসা করুন |
| আমাদের সার্ভিস ফি ছাড়া মোট | ≈ ৳০ |
মালদ্বীপ ভিসার আবেদন কীভাবে করব?
- ১
আগে রিটার্ন টিকিট ও থাকার ব্যবস্থা করুন
যাত্রার আগে কনফার্ম রিটার্ন বা পরবর্তী গন্তব্যের টিকিট আর রেজিস্টার্ড হোটেল বা রিসোর্টে প্রিপেইড কনফার্ম বুকিং ঠিক করুন, অথবা ইমিগ্রেশন-অনুমোদিত স্পনসরশিপের ব্যবস্থা করুন।
- ২
ইমুগা ট্র্যাভেলার ডিক্লারেশন জমা দিন
ফ্লাইটের পৌঁছানোর সময়ের আগের ৯৬ ঘণ্টার মধ্যে imuga.immigration.gov.mv-এ শিশুসহ দলের প্রত্যেক যাত্রীর জন্য বিনামূল্যে ডিক্লারেশন পূরণ করুন। এর জন্য টাকা চায় এমন কোনো তৃতীয় পক্ষের ওয়েবসাইট এড়িয়ে চলুন।
- ৩
পাসপোর্ট ১ মাসের নিয়ম পূরণ করছে কি না দেখুন
পৌঁছানোর তারিখ থেকে পাসপোর্টে মেশিন-রিডেবল জোন (MRZ) ও অন্তত ১ মাসের মেয়াদ আছে কি না নিশ্চিত করুন; হাতে লেখা "এক্সটেন্ডেড ভ্যালিডিটি" নোটযুক্ত পাসপোর্ট গ্রহণযোগ্য নয়।
- ৪
মালেতে যাত্রা করুন
ইয়েলো ফিভার ঝুঁকিপূর্ণ দেশ থেকে এলে বা সম্প্রতি সেসব দেশ হয়ে এলে ইয়েলো ফিভার টিকার সনদ সঙ্গে রাখুন।
- ৫
অ্যারাইভালে ইমিগ্রেশন পার হোন
পাসপোর্ট, ইমুগা কনফার্মেশন, রিটার্ন টিকিট ও থাকার প্রমাণ (চাইলে অর্থের প্রমাণও) দেখান। বিনামূল্যে টুরিস্ট ভিসা ইমিগ্রেশন কর্মকর্তার সিদ্ধান্তে মেলে, থাকার মেয়াদও তখনই নির্ধারিত হয় — শুধু ভ্রমণসূচি থাকলেই প্রবেশ নিশ্চিত নয়।
মালদ্বীপ ভিসা নিয়ে মানুষ আর কী জানতে চায়?
না। সব দেশের নাগরিকদের বিনামূল্যে টুরিস্ট ভিসা মেলে অ্যারাইভালে, শুধু ১৫ এপ্রিল ২০২৫ থেকে ইসরায়েলি পাসপোর্টের ক্ষেত্রে ব্যতিক্রম আছে, যা বাংলাদেশিদের প্রভাবিত করে না — তবে প্রবেশের শর্ত পূরণ করতে হবে: কনফার্ম রিটার্ন টিকিট, প্রিপেইড কনফার্ম থাকার বুকিং (বা অনুমোদিত স্পনসরশিপ) আর অর্থের প্রমাণ।
মালদ্বীপ ইমিগ্রেশনের টুরিস্ট ভিসা পাতায় থাকার সর্বোচ্চ দিনসংখ্যা উল্লেখ নেই — আপনার ভ্রমণসূচি দেখে বন্দরে ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাই মেয়াদ ঠিক করেন। যাত্রার আগে ফ্লাইনেক্সট আপনার ভ্রমণের তারিখ অনুযায়ী হালনাগাদ মেয়াদ যাচাই করে দেয়।
এটি একটি বাধ্যতামূলক, বিনামূল্যে, অনলাইন প্রি-অ্যারাইভাল ডিক্লারেশন, যা শিশুসহ প্রত্যেক যাত্রীকে নিজে নিজে ফ্লাইটের পৌঁছানোর সময়ের আগের ৯৬ ঘণ্টার মধ্যে imuga.immigration.gov.mv-এ জমা দিতে হয়।
না — সরকারি পোর্টালে দুটোই বিনামূল্যে। মালদ্বীপ ইমিগ্রেশন স্পষ্টভাবে সতর্ক করে, ইমুগা জমা দিতে ফি চাওয়া তৃতীয় পক্ষের ওয়েবসাইট এড়িয়ে চলতে।
হ্যাঁ — রেজিস্টার্ড থাকার জায়গায় প্রিপেইড কনফার্ম বুকিং লাগে, যদি না আপনার মালদ্বীপ ইমিগ্রেশন-অনুমোদিত স্পনসরশিপ থাকে।
সরকারিভাবে নির্দিষ্ট কোনো অঙ্ক প্রকাশিত নেই। শর্ত শুধু সাধারণভাবে "থাকার খরচ চালানোর মতো পর্যাপ্ত অর্থ" — নির্দিষ্ট অঙ্ক বা কত মাসের স্টেটমেন্ট লাগবে তা বলা নেই।
না — সরকারি নিয়ম অস্বাভাবিক রকম শিথিল: মেশিন-রিডেবল জোন (MRZ) ও পৌঁছানোর তারিখ থেকে মাত্র ১ মাসের মেয়াদ থাকলেই চলে, বেশিরভাগ দেশের জন্য প্রচলিত ৬ মাসের নিয়ম এখানে নেই। হাতে লেখা "এক্সটেন্ডেড ভ্যালিডিটি" নোটযুক্ত পাসপোর্ট গ্রহণযোগ্য নয়।
না। ভিসা দেওয়া হবে কিনা, সেই সিদ্ধান্ত নেয় কেবল দূতাবাস, হাইকমিশন বা ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ। তাই কোনো এজেন্সিই সৎভাবে ভিসার গ্যারান্টি দিতে পারে না। আমরা নিশ্চিত করি যে আপনার ফাইল সম্পূর্ণ, তথ্যগুলো একটার সঙ্গে আরেকটা মেলে এবং অফিসিয়াল চেকলিস্ট অনুযায়ী সাজানো, যাতে প্রত্যাখ্যানের সাধারণ কারণগুলো এড়ানো যায়। বাড়তি টাকার বিনিময়ে “গ্যারান্টি ভিসা”র প্রতিশ্রুতি দিলে সতর্ক থাকুন।
হ্যাঁ। প্রত্যাখ্যানের চিঠি (রিফিউজাল লেটার) আর আগে জমা দেওয়া কাগজপত্র আমাদের পাঠান। দূতাবাস যে কারণ দেখিয়েছে, যেমন আর্থিক প্রমাণ দুর্বল, ভ্রমণের উদ্দেশ্য অস্পষ্ট বা কাগজ অসম্পূর্ণ, সেটি ঠিক করে তারপর নতুন আবেদন করা হয়। একই ফাইল দিয়ে আবার আবেদন করলে ফলাফল সাধারণত একই হয়। আবেদন ফর্মে জানতে চাইলে আগের রিফিউজালের কথা অবশ্যই উল্লেখ করুন; গোপন করলে দীর্ঘ মেয়াদে নিষেধাজ্ঞা আসতে পারে।
দূতাবাসের নিয়ম যেকোনো সময় বদলাতে পারে। আবেদনের আগে সর্বশেষ চেকলিস্ট নিশ্চিত করতে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন।







