ভিসা প্রসেসিং
ফ্লাইনেক্সট পুরো ভিসা প্রক্রিয়া সামলায় — কাগজপত্রের চেকলিস্ট, আবেদন যাচাই, অ্যাপয়েন্টমেন্ট বুকিং এবং জমা দেওয়ার নির্দেশনা — ব্যক্তি, পরিবার ও গ্রুপের জন্য।

যা যা থাকছে
- গন্তব্য অনুযায়ী কাগজপত্রের চেকলিস্ট
- জমা দেওয়ার আগে আবেদন ফর্ম যাচাই
- অ্যাপয়েন্টমেন্ট বুকিং
- জমা দেওয়ার নির্দেশনা
- ব্যক্তি, পরিবার ও গ্রুপের জন্য সহায়তা
- অনুরোধে আরও অনেক দেশের ভিসা প্রসেসিং
যেভাবে কাজ করে
- ১
আপনার পরিকল্পনা জানান
ফর্ম, ফোন বা হোয়াটসঅ্যাপে গন্তব্য, তারিখ ও বাজেট জানান।
- ২
স্পষ্ট বিকল্প পান
আমরা তুলনা করে সব খরচসহ বিকল্পগুলো আপনাকে পাঠাই।
- ৩
সাপোর্টসহ ভ্রমণ করুন
সব কনফার্ম করি এবং ভ্রমণের আগে, সময়ে ও পরে পাশে থাকি।
এবার কোথায় যাবেন?
এশিয়ামালয়েশিয়াসিঙ্গেল এন্ট্রি ই-ভিসা · ২–৭ কর্মদিবস · ফি ৳৩,১০০ থেকে শুরু ভিসা গাইড
এশিয়াইন্দোনেশিয়াC1 ই-ভিসা, অনলাইনে আবেদন — স্পনসর লাগে না · ১০–১৫ কর্মদিবস · ফি ৳৮,০০০ থেকে শুরু ভিসা গাইড
এশিয়াথাইল্যান্ডটুরিস্ট ই-ভিসা · ৭–১০ কর্মদিবস · ফি ৳৪,৫০০ থেকে শুরু ভিসা গাইড
এশিয়াসিঙ্গাপুরঅনুমোদিত এজেন্টের মাধ্যমে ই-ভিসা · কমপক্ষে ৫ কর্মদিবস · ফি ৳২,৮৩০ থেকে শুরু ভিসা গাইড
ভ্রমণকারীদের প্রশ্ন
সময়টা দেশভেদে আলাদা। প্রতিটি দূতাবাস নিজস্ব প্রসেসিং টাইম ঠিক করে, আর আমাদের প্রতিটি ভিসা পেজে অফিসিয়াল কর্মদিবস ও সর্বশেষ যাচাইয়ের তারিখ দেওয়া থাকে। এর সঙ্গে কাগজপত্র গোছানো আর অ্যাপয়েন্টমেন্ট পাওয়ার সময়ও হিসাবে রাখুন। সাধারণত যাত্রার অন্তত এক মাস আগে আবেদন করুন; শেনজেন, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র বা কানাডার ক্ষেত্রে দুই থেকে তিন মাস আগে, কারণ ঢাকায় এসব দেশের অ্যাপয়েন্টমেন্ট আগেভাগেই শেষ হয়ে যায়।
এমএফএস (মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস), ডেবিট বা ক্রেডিট কার্ড, অথবা FlyNext-এর ব্যাংক অ্যাকাউন্টে ট্রান্সফার বা জমা দিয়ে পরিশোধ করতে পারেন; আমাদের অফিসে নগদেও দেওয়া যায়। কোটেশনের সঙ্গেই পেমেন্টের বিস্তারিত পাঠানো হয়, আর প্রতিটি পরিশোধের রসিদ দেওয়া হয়। কিছু অফিসিয়াল ফি সরাসরি দূতাবাস বা ই-ভিসা পোর্টালে দিতে হয়, যেমন থাইল্যান্ডের ফি নির্ধারিত ব্যাংকে আর মালয়েশিয়ার ফি অনলাইনে কার্ডে; কোনটি কীভাবে দিতে হবে, তা আমরা আগেই জানিয়ে দিই।
না। ভিসা দেওয়া হবে কিনা, সেই সিদ্ধান্ত নেয় কেবল দূতাবাস, হাইকমিশন বা ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ। তাই কোনো এজেন্সিই সৎভাবে ভিসার গ্যারান্টি দিতে পারে না। আমরা নিশ্চিত করি যে আপনার ফাইল সম্পূর্ণ, তথ্যগুলো একটার সঙ্গে আরেকটা মেলে এবং অফিসিয়াল চেকলিস্ট অনুযায়ী সাজানো, যাতে প্রত্যাখ্যানের সাধারণ কারণগুলো এড়ানো যায়। বাড়তি টাকার বিনিময়ে “গ্যারান্টি ভিসা”র প্রতিশ্রুতি দিলে সতর্ক থাকুন।
সার্ভিস চার্জের মধ্যে আছে আপনার প্রোফাইল অনুযায়ী কাগজপত্রের তালিকা, ডকুমেন্ট যাচাই, আবেদন ফর্ম পূরণ ও চেক করা, প্রয়োজন হলে অ্যাপয়েন্টমেন্ট বুকিং এবং জমা দেওয়ার পুরো নির্দেশনা। দূতাবাস, ভিসা সেন্টার ও কুরিয়ারের ফি আলাদা, যা সরাসরি ওই প্রতিষ্ঠানগুলোকে দিতে হয়। আমাদের রিফান্ড নীতি অনুযায়ী, ফাইলের কাজ শুরু হয়ে গেলে সার্ভিস চার্জ ফেরত দেওয়া হয় না।
পাসপোর্ট, ছবি ও ব্যাংক স্টেটমেন্টের পাশাপাশি চাকরিজীবীদের সাধারণত অফিসের এনওসি (NOC) এবং বেতনের প্রমাণ, যেমন স্যালারি সার্টিফিকেট বা পে-স্লিপ লাগে। ব্যবসায়ীদের লাগে নবায়ন করা ট্রেড লাইসেন্স, প্রতিষ্ঠানের ব্যাংক স্টেটমেন্ট এবং টিআইএন বা রিটার্ন জমার প্রমাণ। শিক্ষার্থীদের লাগে স্টুডেন্ট আইডি ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রত্যয়নপত্র, সঙ্গে অভিভাবকের স্পনসরশিপ লেটার ও ব্যাংক স্টেটমেন্ট। নির্দিষ্ট দেশের পুরো তালিকা সেই দেশের ভিসা পেজে পাবেন।
সব দেশের জন্য নির্দিষ্ট কোনো অঙ্ক নেই; প্রতিটি দেশ নিজস্ব নিয়ম ঠিক করে। কোনো দূতাবাস ন্যূনতম ব্যালেন্স উল্লেখ করলে সেটি ওই দেশের ভিসা পেজে দেওয়া আছে। তবে শুধু ব্যালেন্স নয়, দূতাবাস দেখে গত ছয় মাসের লেনদেন: নিয়মিত আয়, স্বাভাবিক খরচ, আর আবেদনের ঠিক আগে হঠাৎ বড় অঙ্ক জমা হয়েছে কিনা। ব্যাখ্যা ছাড়া হঠাৎ জমা করা টাকা ভিসা প্রত্যাখ্যানের একটি সাধারণ কারণ।
হ্যাঁ। প্রত্যাখ্যানের চিঠি (রিফিউজাল লেটার) আর আগে জমা দেওয়া কাগজপত্র আমাদের পাঠান। দূতাবাস যে কারণ দেখিয়েছে, যেমন আর্থিক প্রমাণ দুর্বল, ভ্রমণের উদ্দেশ্য অস্পষ্ট বা কাগজ অসম্পূর্ণ, সেটি ঠিক করে তারপর নতুন আবেদন করা হয়। একই ফাইল দিয়ে আবার আবেদন করলে ফলাফল সাধারণত একই হয়। আবেদন ফর্মে জানতে চাইলে আগের রিফিউজালের কথা অবশ্যই উল্লেখ করুন; গোপন করলে দীর্ঘ মেয়াদে নিষেধাজ্ঞা আসতে পারে।
সাধারণত না। বেশিরভাগ দূতাবাস আবেদনের সঙ্গে ফ্লাইট রিজারভেশন (বুকিং করা যাত্রাসূচি) গ্রহণ করে, এবং ভিসা হওয়ার আগে টিকিটের টাকা পরিশোধ না করারই পরামর্শ দেয়। তবে কয়েকটি দেশ কনফার্ম টিকিট চায়, তাই সংশ্লিষ্ট দেশের পেজটি দেখে নিন। আমাদের এয়ার টিকিট টিম আপনার ফাইলের জন্য রিজারভেশন করে দিতে পারে, আর ভিসা হয়ে গেলে টিকিট ইস্যু করে দেয়।
হ্যাঁ। হোয়াটসঅ্যাপে কাগজপত্রের স্পষ্ট স্ক্যান পাঠিয়ে শুরু করতে পারেন; আমরা যাচাই করে জানিয়ে দেব কী কী বাকি আছে। থাইল্যান্ডের মতো ই-ভিসার পুরো আবেদন অনলাইনে হয়, তাই ঢাকায় আসার দরকার নেই। যেসব দূতাবাস বা ভিসা সেন্টারে আঙুলের ছাপ (বায়োমেট্রিক) দিতে হয় বা মূল পাসপোর্ট জমা দিতে হয়, সেক্ষেত্রে আপনাকে বা আপনার পাসপোর্টকে ঢাকায় আসতে হবে; সেই দিনটি আমরা আপনার সঙ্গে মিলিয়ে ঠিক করে দিই।
আমাদের ভিসা সেবা নিয়ে ক্লায়েন্টরা যা বলছেন
ফ্লাইট, হোটেল, ট্যুর ও ভিসায় আমরা যাদের সহায়তা করেছি, তাদের সত্যিকারের মতামত।
Got my visa within 9 working days
Used FlyNext’s visa services for the first time, and honestly, the experience was really good. Rakib Bhai was very helpful and guided us throughout the whole process. Everything went smoothly, and we got our visa within just 9 working days.
Really happy with their service and support. Would definitely recommend FlyNext to anyone looking for visa services!
These guys are so friendly and helps to their upmost for clients.
Got my visa with in 7 working days!
Austin NirnitoDhaka · Great service and easy booking process! Highly recommended."
জিজ্ঞাসা পাঠান
আপনার ট্রিপ সম্পর্কে জানান, আমরা বিকল্পসহ যোগাযোগ করব।
যেভাবে কাজ করে
- ১
আপনার পরিকল্পনা জানান
ফর্ম, ফোন বা হোয়াটসঅ্যাপে গন্তব্য, তারিখ ও বাজেট জানান।
- ২
স্পষ্ট বিকল্প পান
আমরা তুলনা করে সব খরচসহ বিকল্পগুলো আপনাকে পাঠাই।
- ৩
সাপোর্টসহ ভ্রমণ করুন
সব কনফার্ম করি এবং ভ্রমণের আগে, সময়ে ও পরে পাশে থাকি।
আমাদের সাথে কথা বলুন
কথা বলতে চান? কল বা হোয়াটসঅ্যাপ করুন — বাকিটা আমাদের টিম দেখবে।
শনিবার – বৃহস্পতিবার, সকাল ১০টা – সন্ধ্যা ৭টা
শুরু করতে প্রস্তুত?
কোথায় ও কখন যেতে চান জানান — আপনার সময় ও বাজেট অনুযায়ী বিকল্প পাঠাব।