সংক্ষেপে উত্তর
বাংলাদেশিদের কি ব্রুনাই যেতে ভিসা লাগে?
হ্যাঁ। বাংলাদেশি পাসপোর্টধারীদের ব্রুনাই দূতাবাসের মাধ্যমে ভিসার আবেদন করতে হয়। প্রসেসিংয়ে সাধারণত ৫ কর্মদিবস লাগে। অফিসিয়াল ফি মিলিয়ে জনপ্রতি প্রায় ৳২,১০০ লাগে। থাকার মেয়াদ: সরকারিভাবে প্রকাশিত নয়।
ব্রুনাই ভিসার জন্য কী কী কাগজ লাগবে?
কাগজ জোগাড় হলে টিক দিন — আপনার অগ্রগতি এই ডিভাইসে সংরক্ষিত থাকবে।
৭টির মধ্যে ০টি প্রস্তুত
ব্রুনাই ভিসার খরচ কত?
জনপ্রতি হিসাব। অফিসিয়াল ফি দূতাবাস, ভিসা সেন্টার বা পোর্টালে দিতে হয়; আমাদের সার্ভিস ফি আলাদা।
| ফি | জনপ্রতি |
|---|---|
| ভিজিট ভিসা ফিদূতাবাসে দিতে হয় | ৳২,১০০ |
| ফ্লাইনেক্সট সার্ভিস ফিফ্লাইনেক্সটকে দিতে হয় | জিজ্ঞাসা করুন |
| আমাদের সার্ভিস ফি ছাড়া মোট | ৳২,১০০ |
ব্রুনাই ভিসার আবেদন কীভাবে করব?
- ১
কাগজপত্র প্রস্তুত করুন
পাসপোর্ট (৬+ মাস মেয়াদি), ২ কপি ছবি, পূরণ করা আবেদন ফর্ম, ৬ মাস ধরে বজায় রাখা ৩,০০,০০০ টাকার ব্যাংক স্টেটমেন্ট, সর্বনিম্ন ১০,০০০ ব্রুনাই ডলার কভারেজের মূল স্বাস্থ্য বীমার প্রিন্ট কপি আর কনফার্ম থাকার প্রমাণ জোগাড় করুন। ইংরেজি ছাড়া কোনো কাগজ থাকলে নোটারি ও অনুবাদ করিয়ে নিন।
- ২
ঢাকার ব্রুনাই হাই কমিশনে জমা দিন
রবি থেকে বৃহস্পতিবার সকাল ৯:৩০ থেকে ১১:০০-এর মধ্যে সশরীরে যান — অনলাইনে আবেদনের সুযোগ নেই।
- ৩
নগদে ফি দিন
জমা দেওয়ার সময় নগদে ২,১০০ টাকা ফি দিন। এটি ফেরতযোগ্য নয়, তাই আগে কাগজপত্র ভালো করে যাচাই করে নিন।
- ৪
প্রক্রিয়াকরণের অপেক্ষা করুন
প্রক্রিয়াকরণে প্রায় ৫ কর্মদিবস লাগে, আরও যাচাইয়ের প্রয়োজন হলে সময় বাড়তে পারে।
- ৫
পাসপোর্ট সংগ্রহ করুন
রবি থেকে বৃহস্পতিবার দুপুর ২:৩০ থেকে ৩:০০-এর মধ্যে হাই কমিশনে গিয়ে ভিসাসহ পাসপোর্ট সংগ্রহ করুন।
ব্রুনাই ভিসা নিয়ে মানুষ আর কী জানতে চায়?
হ্যাঁ। বাংলাদেশের সাধারণ পাসপোর্ট ব্রুনাইয়ের "ক্যাটাগরি বি"-তে পড়ে, যার জন্য ভিসা লাগে; কূটনৈতিক ও সরকারি পাসপোর্টের নিয়ম আলাদা।
না। সরকারি পাতা অনুযায়ী, ঢাকার ব্রুনাই হাই কমিশনে সরাসরি গিয়ে আবেদন করতে হয় — বাংলাদেশি আবেদনকারীদের জন্য কোনো অনলাইন ই-ভিসা ব্যবস্থা নেই।
ভিজিট ভিসার ফি ২,১০০ টাকা, ঢাকার হাই কমিশনে নগদে দিতে হয়। এটি ফেরতযোগ্য নয়।
আবেদন জমার পর প্রায় ৫ কর্মদিবস, তবে হাই কমিশনের আরও যাচাইয়ের প্রয়োজন হলে সময় বাড়তে পারে।
হ্যাঁ — হাই কমিশনের নিজস্ব প্রকাশিত শর্ত অনুযায়ী আগের ৬ মাস ধরে নিয়মিতভাবে বজায় রাখা ৩,০০,০০০ টাকা।
সর্বনিম্ন ১০,০০০ ব্রুনাই ডলার কভারেজের আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্য বীমা, মূল পলিসি ডকুমেন্টের প্রিন্ট কপি জমা দিতে হয় — ডিজিটাল কপি বা কনফার্মেশন ইমেইল গ্রহণযোগ্য নয়।
না। ভিসা দেওয়া হবে কিনা, সেই সিদ্ধান্ত নেয় কেবল দূতাবাস, হাইকমিশন বা ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ। তাই কোনো এজেন্সিই সৎভাবে ভিসার গ্যারান্টি দিতে পারে না। আমরা নিশ্চিত করি যে আপনার ফাইল সম্পূর্ণ, তথ্যগুলো একটার সঙ্গে আরেকটা মেলে এবং অফিসিয়াল চেকলিস্ট অনুযায়ী সাজানো, যাতে প্রত্যাখ্যানের সাধারণ কারণগুলো এড়ানো যায়। বাড়তি টাকার বিনিময়ে “গ্যারান্টি ভিসা”র প্রতিশ্রুতি দিলে সতর্ক থাকুন।
হ্যাঁ। প্রত্যাখ্যানের চিঠি (রিফিউজাল লেটার) আর আগে জমা দেওয়া কাগজপত্র আমাদের পাঠান। দূতাবাস যে কারণ দেখিয়েছে, যেমন আর্থিক প্রমাণ দুর্বল, ভ্রমণের উদ্দেশ্য অস্পষ্ট বা কাগজ অসম্পূর্ণ, সেটি ঠিক করে তারপর নতুন আবেদন করা হয়। একই ফাইল দিয়ে আবার আবেদন করলে ফলাফল সাধারণত একই হয়। আবেদন ফর্মে জানতে চাইলে আগের রিফিউজালের কথা অবশ্যই উল্লেখ করুন; গোপন করলে দীর্ঘ মেয়াদে নিষেধাজ্ঞা আসতে পারে।
দূতাবাসের নিয়ম যেকোনো সময় বদলাতে পারে। আবেদনের আগে সর্বশেষ চেকলিস্ট নিশ্চিত করতে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন।







