সংক্ষেপে উত্তর
বাংলাদেশিদের কি জাপান যেতে ভিসা লাগে?
হ্যাঁ। বাংলাদেশি পাসপোর্টধারীদের ভিসা আবেদন কেন্দ্রের (ভিএফএস) মাধ্যমে আবেদন করতে হয়। প্রসেসিংয়ে সাধারণত ৫–৭ কর্মদিবস লাগে। অফিসিয়াল ফি মিলিয়ে জনপ্রতি প্রায় ৳২,০৯০ লাগে। থাকার মেয়াদ: ভিসা ইস্যুর সময় দূতাবাস নির্ধারণ করে। ঢাকায় আবেদন জমা দিতে হয় এখানে: ভিএফএস গ্লোবাল — জাপান ভিসা অ্যাপ্লিকেশন সেন্টার।
সম্প্রতি কী বদলেছে?
- বাংলাদেশে জাপান দূতাবাস সরাসরি ভিসা আবেদন নেওয়া বন্ধ করে ঢাকার গুলশান-২-এ ভিএফএস গ্লোবালের জাপান ভিসা অ্যাপ্লিকেশন সেন্টারে প্রক্রিয়াটি সরিয়ে নিয়েছে।
জাপান ভিসার জন্য কী কী কাগজ লাগবে?
কাগজ জোগাড় হলে টিক দিন — আপনার অগ্রগতি এই ডিভাইসে সংরক্ষিত থাকবে।
১০টির মধ্যে ০টি প্রস্তুত
জাপান ভিসার খরচ কত?
জনপ্রতি হিসাব। অফিসিয়াল ফি দূতাবাস, ভিসা সেন্টার বা পোর্টালে দিতে হয়; আমাদের সার্ভিস ফি আলাদা।
| ফি | জনপ্রতি |
|---|---|
| ভিসা ফি, সাইট-সিয়িং (ট্যুরিস্ট) ক্যাটাগরিদূতাবাসে দিতে হয় | ফ্রি |
| ভিএফএস গ্লোবাল সার্ভিস চার্জভিসা সেন্টারে দিতে হয় | ৳২,০৯০ |
| ফ্লাইনেক্সট সার্ভিস ফিফ্লাইনেক্সটকে দিতে হয় | জিজ্ঞাসা করুন |
| আমাদের সার্ভিস ফি ছাড়া মোট | ৳২,০৯০ |
জাপান ভিসার আবেদন কীভাবে করব?
- ১
ভিসা ক্যাটাগরি ঠিক করুন ও চেকলিস্ট ডাউনলোড করুন
ছুটি কাটাতে গেলে এটি সাইট-সিয়িং ক্যাটাগরি। ভিএফএস গ্লোবালে যাওয়ার আগে জাপান দূতাবাসের ভিসা পেজ থেকে আবেদন ফর্ম ও কাগজপত্রের চেকলিস্ট ডাউনলোড করে নিন।
- ২
কাগজপত্র জোগাড় করুন
পাসপোর্ট, ছবি, এয়ারলাইন বুকিং স্লিপ, হোটেল বুকিং, ভ্রমণসূচি এবং আর্থিক প্রমাণ — নিজ খরচে গেলে ব্যাংক স্টেটমেন্ট, আর জাপানে কেউ খরচ দিলে গ্যারান্টারের কাগজপত্র।
- ৩
গুলশান-২-এ ভিএফএস গ্লোবালে জমা দিন
সশরীরে হাজির হন ঢাকার গুলশান-২, ডেল্টা লাইফ টাওয়ারের জাপান ভিসা অ্যাপ্লিকেশন সেন্টারে — দূতাবাস এখন আর সরাসরি আবেদন নেয় না। ভিএফএস গ্লোবালের সার্ভিস চার্জ নগদে দিন; জাপানের ভিসা ফি নিজেই বিনামূল্যে।
- ৪
প্রসেসিংয়ের অপেক্ষা করুন
দূতাবাসের হিসাবে সম্পূর্ণ আবেদন জমার পর সবচেয়ে দ্রুত ইস্যুর জন্য সাধারণ সময় ৭ কর্মদিবস; ভিএফএসের নিজস্ব ওয়ান-পেজার বলছে প্রায় ৫ দিন। কাগজপত্র বাড়তি যাচাইয়ের দরকার হতে পারে ভেবে বেশি সময়টাই ধরে পরিকল্পনা করুন।
- ৫
পাসপোর্ট সংগ্রহ করুন
গুলশান-২-এর ভিএফএস গ্লোবাল থেকে সংগ্রহ করুন, অথবা তাদের ঐচ্ছিক (অতিরিক্ত টাকায়) কুরিয়ার সেবা ব্যবহার করুন।
ঢাকায় কোথায় আবেদন করব?
ভিএফএস গ্লোবাল — জাপান ভিসা অ্যাপ্লিকেশন সেন্টার
ডেল্টা লাইফ টাওয়ার, ৪র্থ তলা, রোড #৯০, প্লট #৩৭, গুলশান-২, ঢাকা-১২১২
ফোন ০৯৬০৬ ৭৭৭ ৯১০, ইমেইল info.japanbd@vfshelpline.com। জমা ও সংগ্রহের সময়সূচি এবং অ্যাপয়েন্টমেন্ট বুকিং লিংক সেন্টারের নিজস্ব সাইটেও নিশ্চিতভাবে পাওয়া যায়নি — যাওয়ার আগে সরাসরি ভিএফএস গ্লোবালের সঙ্গে যাচাই করে নিন।
জাপান ভিসা নিয়ে মানুষ আর কী জানতে চায়?
না। ৩ নভেম্বর ২০২৪ থেকে সাইট-সিয়িং ট্যুরিস্ট ভিসাসহ সব আবেদন জমা হয় ঢাকার গুলশান-২-এ ভিএফএস গ্লোবালের জাপান ভিসা অ্যাপ্লিকেশন সেন্টারে। দূতাবাসের কাউন্টার এখন আর সরাসরি আবেদন নেয় না।
বাংলাদেশি আবেদনকারীদের জন্য পথ হলো ঢাকার ভিসা সেন্টার, অনলাইন eVISA নয়। জাপানের eVISA ব্যবস্থা নির্দিষ্ট কিছু দেশের জন্য খোলা, যার তালিকা বদলাতে পারে বলে আপনি জিজ্ঞাসা করলে আমরা তখনই যাচাই করে দিই।
ভিসা ফি নিজেই বিনামূল্যে। ভিএফএস গ্লোবালের সার্ভিস চার্জ ২,০৯০ টাকা, ফেরতযোগ্য নয় এবং ঢাকার সেন্টারে নগদে দিতে হয় — আবেদন করতে আসলে এই টাকাটাই একমাত্র খরচ।
না। দূতাবাস ফ্লাইট নম্বর, তারিখ ও রুট দেখানো রিটার্ন এয়ারলাইন বুকিং স্লিপ চায় — শুধু বুকিং হলেই চলবে। ভিসা অনুমোদনের আগে টিকিট কেনার দরকার নেই।
দূতাবাসের হিসাবে ভিএফএস গ্লোবালে সম্পূর্ণ আবেদন জমার পর সাধারণ সময় ৭ কর্মদিবস। ভিএফএসের নিজস্ব বাংলাদেশ ওয়ান-পেজার বলছে প্রায় ৫ দিন। দুটি অফিসিয়াল হিসাব পুরোপুরি মেলে না — বেশি সময়টা ধরে পরিকল্পনা করুন, আর ফাইলে বাড়তি যাচাইয়ের দরকার হতে পারে ভেবে আগেভাগেই আবেদন করুন।
সবসময় দরকার হয় না। নিজ খরচে গেলে নিজের ৬ মাসের ব্যাংক স্টেটমেন্ট ও প্রয়োজনে ট্যাক্সের কাগজ দিয়েই যোগ্য হওয়া যায়। যাঁর খরচ জাপানে কেউ বহন করছেন, তাঁদের জন্য গ্যারান্টারের কাগজপত্র একটি বিকল্প পথ, সবার জন্য বাধ্যতামূলক নয়।
না। ভিসা দেওয়া হবে কিনা, সেই সিদ্ধান্ত নেয় কেবল দূতাবাস, হাইকমিশন বা ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ। তাই কোনো এজেন্সিই সৎভাবে ভিসার গ্যারান্টি দিতে পারে না। আমরা নিশ্চিত করি যে আপনার ফাইল সম্পূর্ণ, তথ্যগুলো একটার সঙ্গে আরেকটা মেলে এবং অফিসিয়াল চেকলিস্ট অনুযায়ী সাজানো, যাতে প্রত্যাখ্যানের সাধারণ কারণগুলো এড়ানো যায়। বাড়তি টাকার বিনিময়ে “গ্যারান্টি ভিসা”র প্রতিশ্রুতি দিলে সতর্ক থাকুন।
হ্যাঁ। প্রত্যাখ্যানের চিঠি (রিফিউজাল লেটার) আর আগে জমা দেওয়া কাগজপত্র আমাদের পাঠান। দূতাবাস যে কারণ দেখিয়েছে, যেমন আর্থিক প্রমাণ দুর্বল, ভ্রমণের উদ্দেশ্য অস্পষ্ট বা কাগজ অসম্পূর্ণ, সেটি ঠিক করে তারপর নতুন আবেদন করা হয়। একই ফাইল দিয়ে আবার আবেদন করলে ফলাফল সাধারণত একই হয়। আবেদন ফর্মে জানতে চাইলে আগের রিফিউজালের কথা অবশ্যই উল্লেখ করুন; গোপন করলে দীর্ঘ মেয়াদে নিষেধাজ্ঞা আসতে পারে।
দূতাবাসের নিয়ম যেকোনো সময় বদলাতে পারে। আবেদনের আগে সর্বশেষ চেকলিস্ট নিশ্চিত করতে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন।







