সংক্ষেপে উত্তর
বাংলাদেশিদের কি হংকং যেতে ভিসা লাগে?
হ্যাঁ। বাংলাদেশি পাসপোর্টধারীদের ভিসা আবেদন কেন্দ্রের (ভিএফএস) মাধ্যমে আবেদন করতে হয়। প্রসেসিংয়ে সাধারণত ৩–৪ কর্মদিবস লাগে। অফিসিয়াল ফি মিলিয়ে জনপ্রতি প্রায় ৳৩,৩০০ লাগে। থাকার মেয়াদ: বাংলাদেশি আবেদনকারীদের জন্য নির্দিষ্ট সংখ্যা প্রকাশিত নেই। ঢাকায় আবেদন জমা দিতে হয় এখানে: চাইনিজ ভিসা অ্যাপ্লিকেশন সার্ভিস সেন্টার (CVC), ঢাকা।
সম্প্রতি কী বদলেছে?
- ImmD তাদের সরাসরি আবেদন চ্যানেলের সাধারণ ভিসা/এন্ট্রি পারমিট ফি ২৩০ থেকে বাড়িয়ে ৩৩০ হংকং ডলার করেছে।
- ImmD কিছু স্কিম (এমপ্লয়মেন্ট, মেইনল্যান্ড ট্যালেন্টস, ইনভেস্টমেন্ট, ট্রেনিং, ওয়ার্কিং হলিডে, ডিপেন্ডেন্ট রেসিডেন্স) বাধ্যতামূলক ই-সাবমিশনের আওতায় নিয়ে গেছে; বাংলাদেশে চীনা দূতাবাস আর এসব আবেদন ফরওয়ার্ড করে না। এটি সাধারণ ভিজিট ভিসাকে প্রভাবিত করে না।
হংকং ভিসার জন্য কী কী কাগজ লাগবে?
কাগজ জোগাড় হলে টিক দিন — আপনার অগ্রগতি এই ডিভাইসে সংরক্ষিত থাকবে।
৬টির মধ্যে ০টি প্রস্তুত
হংকং ভিসার খরচ কত?
জনপ্রতি হিসাব। অফিসিয়াল ফি দূতাবাস, ভিসা সেন্টার বা পোর্টালে দিতে হয়; আমাদের সার্ভিস ফি আলাদা।
ভিজিট ভিসা / এন্ট্রি পারমিট, CVC ঢাকার মাধ্যমে
| ফি | জনপ্রতি |
|---|---|
| ভিজিট ভিসা ফি, CVC ঢাকা রুট, নিয়মিত সার্ভিস (৪ কর্মদিবস)ভিসা সেন্টারে দিতে হয় | ৳৩,৩০০ |
| এক্সপ্রেস সার্ভিস সারচার্জ, CVC ঢাকা রুট (৩ কর্মদিবস), নিয়মিত ফি-র বাইরে অতিরিক্তঐচ্ছিকভিসা সেন্টারে দিতে হয় | ৳২,৭০০ |
| ফ্লাইনেক্সট সার্ভিস ফিফ্লাইনেক্সটকে দিতে হয় | জিজ্ঞাসা করুন |
| আমাদের সার্ভিস ফি ছাড়া মোট | ৳৩,৩০০ |
ঐচ্ছিক ফি মোটের মধ্যে ধরা হয়নি।
ভিজিট ভিসা / এন্ট্রি পারমিট, সরাসরি ImmD-তে (ডাকযোগে/স্পনসর মাধ্যমে)
| ফি | জনপ্রতি |
|---|---|
| সাধারণ ভিসা/এন্ট্রি পারমিট ফি, সরাসরি ImmD রুট (৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫ থেকে সংশোধিত) | HKD ৩৩০ |
| ফ্লাইনেক্সট সার্ভিস ফিফ্লাইনেক্সটকে দিতে হয় | জিজ্ঞাসা করুন |
হংকং ভিসার আবেদন কীভাবে করব?
- ১
ভিসা লাগবে কিনা নিশ্চিত করুন
বাংলাদেশের জন্য ImmD-র জাতীয়তা টেবিল দেখুন — এতে প্রতিটি উদ্দেশ্যে, ট্রানজিটসহ, "ভিসা প্রয়োজন" নিশ্চিত করা আছে, আর প্রি-অ্যারাইভাল রেজিস্ট্রেশন প্রযোজ্য নয় তাও বলা আছে (এই স্কিম শুধু ভারতীয় নাগরিকদের জন্য সীমিত)।
- ২
আবেদনের রুট বেছে নিন
ঢাকার চাইনিজ ভিসা অ্যাপ্লিকেশন সার্ভিস সেন্টারের মাধ্যমে আবেদন করুন — বেশিরভাগ বাংলাদেশি আবেদনকারীর জন্য এটিই ব্যবহারিক রুট — অথবা ডাকযোগে বা হংকং-ভিত্তিক স্পনসরের মাধ্যমে সরাসরি HKSAR ইমিগ্রেশন ডিপার্টমেন্টে আবেদন করুন।
- ৩
ফর্ম পূরণ করুন ও কাগজপত্র জোগাড় করুন
ID1003A পূরণ করুন (স্থানীয় স্পনসর থাকলে ID1003B-ও), আর পাসপোর্ট, ছবি, কানেক্টিং/রিটার্ন টিকিট এবং অর্থের প্রমাণ জোগাড় করুন।
- ৪
জমা দিন ও ফি পরিশোধ করুন
ঢাকার CVC-র মাধ্যমে: নিয়মিত সার্ভিসে ৩,৩০০ টাকা, এক্সপ্রেসের জন্য অতিরিক্ত ২,৭০০ টাকা। সরাসরি ImmD-তে: ৩৩০ হংকং ডলার। বেছে নেওয়া রুট অনুযায়ী ফি পরিশোধ করুন।
- ৫
প্রসেসিংয়ের জন্য অপেক্ষা করুন
ImmD-র সাধারণ বেঞ্চমার্ক প্রায় ৪ সপ্তাহ; CVC ঢাকা রুট আলাদাভাবে নিজস্ব স্থানীয় হ্যান্ডলিংয়ের জন্য ৩–৪ কর্মদিবস বলে। বেশি সময়ের হিসাব ধরেই পরিকল্পনা করুন।
- ৬
যাত্রার আগে ভিসা সংগ্রহ করুন
পৌঁছানোর আগেই ভিসা/এন্ট্রি পারমিট সংগ্রহ করতে হবে — বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য হংকং অন-অ্যারাইভাল ভিসা দেয় না, এমনকি বিমানবন্দরের ভেতরের ট্রানজিটের জন্যও নয়।
ঢাকায় কোথায় আবেদন করব?
চাইনিজ ভিসা অ্যাপ্লিকেশন সার্ভিস সেন্টার (CVC), ঢাকা
৩য় তলা, প্রাসাদ ট্রেড সেন্টার, ৬ কামাল আতাতুর্ক এভিনিউ, বনানী, ঢাকা
চীনের মূল ভূখণ্ডের ভিসায় ব্যবহৃত একই সেন্টার; ঠিকানা ও সময়সূচি এসেছে CVC-র সাধারণ চালুর নোটিশ থেকে, হংকং-নির্দিষ্ট কোনো পাতা থেকে নয়, যদিও দূতাবাসের হংকং-ভিসা পাতা আবেদনকারীদের এই একই চ্যানেলের দিকে নির্দেশ করে। রবি থেকে বৃহস্পতিবার খোলা, ছুটির দিন ছাড়া; জমা/পেমেন্ট সকাল ৯:০০–দুপুর ৩:০০, সংগ্রহ সকাল ৯:০০–বিকেল ৪:০০।
হংকং ভিসা নিয়ে মানুষ আর কী জানতে চায়?
না। ImmD-র "ভিসা প্রয়োজন" তালিকায় বাংলাদেশ আছে, আর বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য কোনো উদ্দেশ্যেই ভিসা-মুক্ত প্রবেশ, ETA বা অন-অ্যারাইভাল ভিসার সুযোগ নেই।
না। PAR এবং তার মাধ্যমে ১৪ দিন ভিসা-মুক্ত থাকার সুযোগ ImmD-র নিজস্ব টেবিল অনুযায়ী শুধু ভারতীয় নাগরিকদের জন্য সীমিত। বাংলাদেশ আলাদা একটি রিমার্কের আওতায়, "ভিসা প্রয়োজন", আর PAR থেকে কোনো সুবিধা পায় না।
ঢাকার চাইনিজ ভিসা অ্যাপ্লিকেশন সার্ভিস সেন্টারের মাধ্যমে, চীনের মূল ভূখণ্ডের ভিসা আবেদনে ব্যবহৃত একই সেন্টার, অথবা ডাকযোগে সরাসরি HKSAR ইমিগ্রেশন ডিপার্টমেন্টে।
ImmD-র সরাসরি ফি ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫ থেকে সাধারণ ভিসার জন্য ৩৩০ হংকং ডলার। ঢাকায় চীনা দূতাবাস/CVC-র মাধ্যমে আবেদন করলে আলাদাভাবে বলা আছে ৩,৩০০ টাকা (নিয়মিত, ৪ কর্মদিবস) সঙ্গে ২,৭০০ টাকা এক্সপ্রেস সারচার্জ (৩ কর্মদিবস)। এগুলো দুটি ভিন্ন চ্যানেলের জন্য দুটি ভিন্ন অফিসিয়াল অঙ্ক — কোনো অফিসিয়াল পাতা এই দুটির সম্পর্ক নিশ্চিত করে না, তাই দুটো যোগ করবেন না।
ImmD-র সাধারণ বেঞ্চমার্ক প্রায় ৪ সপ্তাহ। ঢাকা দূতাবাস/CVC রুট আলাদাভাবে নিজস্ব স্থানীয় প্রসেসিংয়ের জন্য ৩–৪ কর্মদিবস বলে। ছোট নয়, বড় হিসাবটা ধরেই পরিকল্পনা করুন।
না। বাংলাদেশের জন্য ImmD-র নিয়মে স্পষ্ট বলা আছে, "যেকোনো উদ্দেশ্যে, বিমানবন্দরের ভেতরে থাকা ট্রানজিট যাত্রীসহ" ভিসা লাগবে — দুই ফ্লাইটের মাঝে বিমানবন্দরের ভেতরে থাকার জন্য কোনো ছাড় নেই।
না। ভিসা দেওয়া হবে কিনা, সেই সিদ্ধান্ত নেয় কেবল দূতাবাস, হাইকমিশন বা ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ। তাই কোনো এজেন্সিই সৎভাবে ভিসার গ্যারান্টি দিতে পারে না। আমরা নিশ্চিত করি যে আপনার ফাইল সম্পূর্ণ, তথ্যগুলো একটার সঙ্গে আরেকটা মেলে এবং অফিসিয়াল চেকলিস্ট অনুযায়ী সাজানো, যাতে প্রত্যাখ্যানের সাধারণ কারণগুলো এড়ানো যায়। বাড়তি টাকার বিনিময়ে “গ্যারান্টি ভিসা”র প্রতিশ্রুতি দিলে সতর্ক থাকুন।
হ্যাঁ। প্রত্যাখ্যানের চিঠি (রিফিউজাল লেটার) আর আগে জমা দেওয়া কাগজপত্র আমাদের পাঠান। দূতাবাস যে কারণ দেখিয়েছে, যেমন আর্থিক প্রমাণ দুর্বল, ভ্রমণের উদ্দেশ্য অস্পষ্ট বা কাগজ অসম্পূর্ণ, সেটি ঠিক করে তারপর নতুন আবেদন করা হয়। একই ফাইল দিয়ে আবার আবেদন করলে ফলাফল সাধারণত একই হয়। আবেদন ফর্মে জানতে চাইলে আগের রিফিউজালের কথা অবশ্যই উল্লেখ করুন; গোপন করলে দীর্ঘ মেয়াদে নিষেধাজ্ঞা আসতে পারে।
দূতাবাসের নিয়ম যেকোনো সময় বদলাতে পারে। আবেদনের আগে সর্বশেষ চেকলিস্ট নিশ্চিত করতে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন।







