সংক্ষেপে উত্তর
বাংলাদেশিদের কি শ্রীলঙ্কা যেতে ভিসা লাগে?
হ্যাঁ। বাংলাদেশি পাসপোর্টধারীদের ভ্রমণের আগে অনলাইনে ইটিএ (ইলেকট্রনিক ট্রাভেল অথরাইজেশন) নিতে হয়। প্রসেসিং সময়: সরকারিভাবে নির্দিষ্ট করা নেই। ভিসা ফি USD ২০। সর্বোচ্চ ৩০ দিন থাকা যায়। ভিসার মেয়াদ ১৮০ দিন।
সম্প্রতি কী বদলেছে?
- শ্রীলঙ্কায় ৪০টি নির্দিষ্ট দেশের জন্য ফ্রি টুরিস্ট ইটিএ চালু হয়েছে, সঙ্গে মালদ্বীপ, সিশেলস ও সিঙ্গাপুরের জন্য পারস্পরিক ফ্রি প্রবেশ। এই তালিকায় বাংলাদেশ নেই, তাই বাংলাদেশি ভ্রমণকারীদের আগের মতোই সার্ক রেটে ইটিএ ফি দিতে হয়; এই তারিখের আগে দেওয়া ফি ফেরত দেওয়া হয় না।
শ্রীলঙ্কা ভিসার জন্য কী কী কাগজ লাগবে?
কাগজ জোগাড় হলে টিক দিন — আপনার অগ্রগতি এই ডিভাইসে সংরক্ষিত থাকবে।
৬টির মধ্যে ০টি প্রস্তুত
শ্রীলঙ্কা ভিসার খরচ কত?
জনপ্রতি হিসাব। অফিসিয়াল ফি দূতাবাস, ভিসা সেন্টার বা পোর্টালে দিতে হয়; আমাদের সার্ভিস ফি আলাদা।
টুরিস্ট ইটিএ, সর্বোচ্চ ৩০ দিন (সার্ক রেট)
| ফি | জনপ্রতি |
|---|---|
| টুরিস্ট ইটিএ, অনলাইন বা মিশন (৩০ দিন)অনলাইনে দিতে হয় | USD ২০ |
| ফ্লাইনেক্সট সার্ভিস ফিফ্লাইনেক্সটকে দিতে হয় | জিজ্ঞাসা করুন |
টুরিস্ট ইটিএ, সর্বোচ্চ ৯০ দিন, ডাবল এন্ট্রি (সার্ক রেট)
| ফি | জনপ্রতি |
|---|---|
| টুরিস্ট ইটিএ, অনলাইন বা মিশন (৯০ দিন, ডাবল এন্ট্রি)অনলাইনে দিতে হয় | USD ২০ |
| ফ্লাইনেক্সট সার্ভিস ফিফ্লাইনেক্সটকে দিতে হয় | জিজ্ঞাসা করুন |
অ্যারাইভালে টুরিস্ট ইটিএ (সার্ক রেট)
| ফি | জনপ্রতি |
|---|---|
| টুরিস্ট ইটিএ, অ্যারাইভালে | USD ২৫ |
| ফ্লাইনেক্সট সার্ভিস ফিফ্লাইনেক্সটকে দিতে হয় | জিজ্ঞাসা করুন |
বিজনেস ইটিএ (সার্ক রেট)
| ফি | জনপ্রতি |
|---|---|
| বিজনেস ইটিএ, অনলাইনঅনলাইনে দিতে হয় | USD ৩০ |
| ফ্লাইনেক্সট সার্ভিস ফিফ্লাইনেক্সটকে দিতে হয় | জিজ্ঞাসা করুন |
ট্রানজিট ভিসা
| ফি | জনপ্রতি |
|---|---|
| ট্রানজিট ভিসা (২ দিন) | ফ্রি |
| ফ্লাইনেক্সট সার্ভিস ফিফ্লাইনেক্সটকে দিতে হয় | জিজ্ঞাসা করুন |
| আমাদের সার্ভিস ফি ছাড়া মোট | ≈ ৳০ |
শ্রীলঙ্কা ভিসার আবেদন কীভাবে করব?
- ১
সরকারি পোর্টালে যান
eta.gov.lk-এ যান আর তথ্য বা পেমেন্ট দেওয়ার আগে নিশ্চিত হোন ডোমেইনটি সত্যিই .gov.lk কি না — বিভাগ নকল সাইট নিয়ে সতর্ক করে।
- ২
অনলাইন আবেদন পূরণ করুন
পাসপোর্টের তথ্য, জাতীয়তা (বাংলাদেশ, সার্ক রেট) ও ভ্রমণের তথ্য দিন, এরপর টুরিস্ট বা বিজনেস ইটিএ বেছে নিন।
- ৩
সার্ক রেটের ফি দিন
অনলাইনে অ্যামেক্স, মাস্টারকার্ড বা ভিসা কার্ডে দিন — টুরিস্টের জন্য ২০ ডলার, বিজনেসের জন্য ৩০ ডলার।
- ৪
অনুমোদন গ্রহণ করুন
ইটিএ অনুমোদন ইমেইলে আসে। সরকারিভাবে প্রক্রিয়াকরণের সময় প্রকাশিত নয়, তাই হাতে কিছুদিন সময় রেখে আবেদন করুন।
- ৫
অথবা অ্যারাইভালে আবেদন করুন (শুধু টুরিস্ট)
অনলাইন ধাপ বাদ দিয়ে বিমানবন্দরেই আবেদন করা যায়, সরাসরি ২৫ ডলার দিয়ে — বিজনেস ইটিএ-তে এই সুযোগ নেই।
- ৬
ইমিগ্রেশন পার হোন
পাসপোর্ট, ইটিএ অনুমোদন (আগে থেকে থাকলে), রিটার্ন টিকিট ও অর্থের প্রমাণ দেখান। বৈধ ইটিএ থাকলেও প্রবেশের সিদ্ধান্ত নেন ইমিগ্রেশন কর্মকর্তা।
শ্রীলঙ্কা ভিসা নিয়ে মানুষ আর কী জানতে চায়?
না। ২৫ মে ২০২৬ থেকে চালু হওয়া ৪০টি দেশের ফ্রি ইটিএ সুবিধায় বাংলাদেশ নেই, তাই বাংলাদেশিদের এখনও স্বাভাবিক সার্ক রেটে ইটিএ ফি দিতে হয়: অনলাইনে বা মিশনে আবেদন করলে ২০ ডলার, অথবা অ্যারাইভালে ২৫ ডলার।
হ্যাঁ, শুধু টুরিস্ট ক্যাটাগরিতে, বেশি ফিতে — অ্যারাইভালে ২৫ ডলার, অনলাইনে আবেদন করলে ২০ ডলার। বিজনেস ইটিএ-তে অ্যারাইভাল অপশন নেই।
স্বাভাবিক টুরিস্ট ইটিএ-তে সর্বোচ্চ ৩০ দিন। সরকারি ফি তালিকায় একই ফিতে ৯০ দিনের ডাবল এন্ট্রি টুরিস্ট পণ্যও তালিকাভুক্ত আছে, তবে এটি আলাদাভাবে বেছে নেওয়া অপশন নাকি একই পণ্যের আরেক বর্ণনা তা স্পষ্ট করা নেই।
না। বৈধ ইটিএ থাকলেও প্রবেশের সিদ্ধান্ত নেন বন্দরের ইমিগ্রেশন কর্মকর্তা।
হ্যাঁ — ৩০ ডলার, মাল্টিপল এন্ট্রি, সর্বোচ্চ ৩০ দিন, শুধু অনলাইনে আবেদন করা যায়। বিজনেস ইটিএ-তে অ্যারাইভাল অপশন নেই।
হ্যাঁ — শ্রীলঙ্কা হয়ে যাওয়ার পথে সিঙ্গেল এন্ট্রিতে সর্বোচ্চ ২ দিনের জন্য ট্রানজিট ভিসা বিনামূল্যে।
না। ভিসা দেওয়া হবে কিনা, সেই সিদ্ধান্ত নেয় কেবল দূতাবাস, হাইকমিশন বা ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ। তাই কোনো এজেন্সিই সৎভাবে ভিসার গ্যারান্টি দিতে পারে না। আমরা নিশ্চিত করি যে আপনার ফাইল সম্পূর্ণ, তথ্যগুলো একটার সঙ্গে আরেকটা মেলে এবং অফিসিয়াল চেকলিস্ট অনুযায়ী সাজানো, যাতে প্রত্যাখ্যানের সাধারণ কারণগুলো এড়ানো যায়। বাড়তি টাকার বিনিময়ে “গ্যারান্টি ভিসা”র প্রতিশ্রুতি দিলে সতর্ক থাকুন।
হ্যাঁ। প্রত্যাখ্যানের চিঠি (রিফিউজাল লেটার) আর আগে জমা দেওয়া কাগজপত্র আমাদের পাঠান। দূতাবাস যে কারণ দেখিয়েছে, যেমন আর্থিক প্রমাণ দুর্বল, ভ্রমণের উদ্দেশ্য অস্পষ্ট বা কাগজ অসম্পূর্ণ, সেটি ঠিক করে তারপর নতুন আবেদন করা হয়। একই ফাইল দিয়ে আবার আবেদন করলে ফলাফল সাধারণত একই হয়। আবেদন ফর্মে জানতে চাইলে আগের রিফিউজালের কথা অবশ্যই উল্লেখ করুন; গোপন করলে দীর্ঘ মেয়াদে নিষেধাজ্ঞা আসতে পারে।
দূতাবাসের নিয়ম যেকোনো সময় বদলাতে পারে। আবেদনের আগে সর্বশেষ চেকলিস্ট নিশ্চিত করতে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন।







