সংক্ষেপে উত্তর
বাংলাদেশিদের কি যুক্তরাষ্ট্র যেতে ভিসা লাগে?
হ্যাঁ। বাংলাদেশি পাসপোর্টধারীদের যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের মাধ্যমে ভিসার আবেদন করতে হয়। প্রসেসিং সময়: ইন্টারভিউর অপেক্ষার সময় নিশ্চিত নয়; ustraveldocs.com/bd দেখুন। ভিসা ফি USD ১৮৫। থাকার মেয়াদ: প্রবেশের সময় CBP নির্ধারণ করে, ভিসায় নয়। ভিসার মেয়াদ ৯০ দিন।
সম্প্রতি কী বদলেছে?
- ঢাকার মার্কিন দূতাবাস B1/B2 ভিসার জন্য যোগ্য বিবেচিত বাংলাদেশি নাগরিকদের কাছ থেকে সর্বোচ্চ ১৫,০০০ ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড নেওয়া শুরু করেছে। অঙ্ক ঠিক করেন কনসুলার অফিসার, ইন্টারভিউতে; বন্ড পরিশোধ না হওয়া পর্যন্ত ভিসা ইস্যু হয় না।
যুক্তরাষ্ট্র ভিসার জন্য কী কী কাগজ লাগবে?
কাগজ জোগাড় হলে টিক দিন — আপনার অগ্রগতি এই ডিভাইসে সংরক্ষিত থাকবে।
৬টির মধ্যে ০টি প্রস্তুত
যুক্তরাষ্ট্র ভিসার খরচ কত?
জনপ্রতি হিসাব। অফিসিয়াল ফি দূতাবাস, ভিসা সেন্টার বা পোর্টালে দিতে হয়; আমাদের সার্ভিস ফি আলাদা।
| ফি | জনপ্রতি |
|---|---|
| MRV নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা আবেদন ফি, B1/B2দূতাবাসে দিতে হয় | USD ১৮৫ |
| ভিসা ইস্যুয়েন্স / রেসিপ্রোসিটি ফি, B1/B2 (বাংলাদেশ) | ফ্রি |
| ফ্লাইনেক্সট সার্ভিস ফিফ্লাইনেক্সটকে দিতে হয় | জিজ্ঞাসা করুন |
যুক্তরাষ্ট্র ভিসার আবেদন কীভাবে করব?
- ১
DS-160 ফর্ম পূরণ করুন
অনলাইনে পূরণ করে কনফার্মেশন পেজ প্রিন্ট করুন।
- ২
MRV ফি পরিশোধ করুন
অনুমোদিত মাধ্যমে ১৮৫ ডলার দিন — EBL ব্যাংক, EFT/BEFTN, কার্ড, অথবা Elavon অনলাইন।
- ৩
ইন্টারভিউ অ্যাপয়েন্টমেন্ট বুক করুন
অফিশিয়াল সাইট ustraveldocs.com/bd-এর মাধ্যমে বুক করুন।
- ৪
ইন্টারভিউতে উপস্থিত হোন
পাসপোর্ট, DS-160 কনফার্মেশন, ফি রসিদ, ছবি ও সহায়ক নথিপত্র নিয়ে ঢাকার মার্কিন দূতাবাসে যান।
- ৫
শুধু নির্দেশ পেলে বন্ড দিন
যোগ্য বিবেচিত হলে কনসুলার অফিসার জানাবেন বন্ড লাগবে কিনা ও কীভাবে দিতে হবে — শুধু নির্দেশ পাওয়ার পর, আর শুধু সেই অফিশিয়াল চ্যানেলেই দিন, আগে থেকে বা তৃতীয় পক্ষের মাধ্যমে কখনো নয়।
- ৬
পাসপোর্ট সংগ্রহ করুন
ভিসা ইস্যু হয়ে গেলে সংগ্রহ করুন, অথবা দূতাবাসের নির্দেশনা অনুযায়ী।
যুক্তরাষ্ট্র ভিসা নিয়ে মানুষ আর কী জানতে চায়?
হ্যাঁ। বাংলাদেশি পাসপোর্টধারীদের জন্য কোনো ভিসা-মুক্ত, অন-অ্যারাইভাল বা ই-ভিসার সুযোগ নেই — ঢাকায় দূতাবাস ইন্টারভিউর মাধ্যমে নেওয়া B1/B2 ভিসা লাগবে।
MRV আবেদন ফি ১৮৫ মার্কিন ডলার, নন-রিফান্ডেবল, বাংলাদেশের জন্য আলাদা কোনো রেসিপ্রোসিটি ফি নেই। ২১ জানুয়ারি ২০২৬ থেকে কিছু যোগ্য আবেদনকারীকে ইন্টারভিউতে কনসুলার অফিসারের নির্ধারিত ৫,০০০–১৫,০০০ ডলারের রিফান্ডযোগ্য বন্ডও দিতে বলা হচ্ছে।
হ্যাঁ, প্রথমবার আবেদনকারীদের জন্য। ইন্টারভিউ ছাড়া 'ড্রপ বক্স' রিনিউয়াল শুধু আগে B1/B2 ভিসা পাওয়া এবং দূতাবাসের Interview Waiver Program-এর শর্ত পূরণকারীদের জন্য, যেখানে প্রসেসিং সময় বলা হয় সর্বোচ্চ ২১ কর্মদিবস।
ভিসার মেয়াদ শুধু সেই সময়ের মধ্যে প্রবেশের অনুমতি চাওয়ার সুযোগ দেয় — এটি থাকার মেয়াদ নয়। বিমানবন্দরে CBP কর্মকর্তা আলাদাভাবে ঠিক করেন আসলে কতদিন থাকতে পারবেন, সাধারণত I-94 ফর্মে লেখা হয়, ভিসার মেয়াদ থেকে আলাদা।
বর্তমান অফিশিয়াল রেসিপ্রোসিটি শিডিউল অনুযায়ী এটি ইস্যু হয় সিঙ্গেল এন্ট্রি, মেয়াদ ৩ মাস — পুরোনো ধারণার মতো বহু-বছরের মাল্টিপল-এন্ট্রি ভিসা নয়। নিজের পাসপোর্টে ছাপা মেয়াদ যাচাই করুন, কারণ কেস অনুযায়ী শর্ত ভিন্ন হতে পারে।
ঢাকার মার্কিন দূতাবাস জানিয়েছে, ২১ জানুয়ারি ২০২৬ থেকে B1/B2 ভিসার জন্য যোগ্য বিবেচিত বাংলাদেশি নাগরিকদের সর্বোচ্চ ১৫,০০০ ডলার পর্যন্ত বন্ড জমা দিতে হয়, আর বন্ড পরিশোধ না হওয়া পর্যন্ত ভিসা ইস্যু হয় না। অঙ্ক নির্ধারণ করেন কনসুলার অফিসার, ইন্টারভিউতেই, এবং কীভাবে পরিশোধ করতে হবে তা তিনিই জানান। কোথা থেকে আবেদন করছেন তাতে কিছু আসে-যায় না, অন্য দেশ থেকে আবেদন করলেও এড়ানো যাবে না; আর কোনো তৃতীয় পক্ষের ওয়েবসাইটে বা কর্মকর্তার নির্দেশ পাওয়ার আগে কখনোই টাকা দেবেন না।
না। ভিসা দেওয়া হবে কিনা, সেই সিদ্ধান্ত নেয় কেবল দূতাবাস, হাইকমিশন বা ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ। তাই কোনো এজেন্সিই সৎভাবে ভিসার গ্যারান্টি দিতে পারে না। আমরা নিশ্চিত করি যে আপনার ফাইল সম্পূর্ণ, তথ্যগুলো একটার সঙ্গে আরেকটা মেলে এবং অফিসিয়াল চেকলিস্ট অনুযায়ী সাজানো, যাতে প্রত্যাখ্যানের সাধারণ কারণগুলো এড়ানো যায়। বাড়তি টাকার বিনিময়ে “গ্যারান্টি ভিসা”র প্রতিশ্রুতি দিলে সতর্ক থাকুন।
হ্যাঁ। প্রত্যাখ্যানের চিঠি (রিফিউজাল লেটার) আর আগে জমা দেওয়া কাগজপত্র আমাদের পাঠান। দূতাবাস যে কারণ দেখিয়েছে, যেমন আর্থিক প্রমাণ দুর্বল, ভ্রমণের উদ্দেশ্য অস্পষ্ট বা কাগজ অসম্পূর্ণ, সেটি ঠিক করে তারপর নতুন আবেদন করা হয়। একই ফাইল দিয়ে আবার আবেদন করলে ফলাফল সাধারণত একই হয়। আবেদন ফর্মে জানতে চাইলে আগের রিফিউজালের কথা অবশ্যই উল্লেখ করুন; গোপন করলে দীর্ঘ মেয়াদে নিষেধাজ্ঞা আসতে পারে।
দূতাবাসের নিয়ম যেকোনো সময় বদলাতে পারে। আবেদনের আগে সর্বশেষ চেকলিস্ট নিশ্চিত করতে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন।


