সংক্ষেপে উত্তর
বাংলাদেশিদের কি তুরস্ক যেতে ভিসা লাগে?
হ্যাঁ। বাংলাদেশি পাসপোর্টধারীদের তুরস্ক ই-ভিসার জন্য অনলাইনে আবেদন করতে হয়। প্রসেসিং সময়: স্টিকার ভিসা: সর্বোচ্চ ৪৫ দিন। ই-ভিসা: নিশ্চিত নয়। অফিসিয়াল ফি মিলিয়ে জনপ্রতি প্রায় ৳২,২৭,৬১৮ লাগে। থাকার মেয়াদ: স্টিকার ভিসা: ৩, ৬ বা ১২ মাস। ই-ভিসা: ১ মাস, সিঙ্গেল এন্ট্রি। ভিসার মেয়াদ ৩০ দিন। ঢাকায় আবেদন জমা দিতে হয় এখানে: মোজাইক ভিসা (বাংলাদেশের জন্য তুরস্ক ভিসা আবেদন কেন্দ্র)।
সম্প্রতি কী বদলেছে?
- ঢাকার তুরস্ক দূতাবাস বনানীর মোজাইক ভিসাকে বাংলাদেশের জন্য একমাত্র অনুমোদিত তুরস্ক ভিসা আবেদন কেন্দ্র ঘোষণা করেছে, আগের অপারেটরের জায়গায়।
তুরস্ক ভিসার জন্য কী কী কাগজ লাগবে?
কাগজ জোগাড় হলে টিক দিন — আপনার অগ্রগতি এই ডিভাইসে সংরক্ষিত থাকবে।
কে আবেদন করছেন?
একটি বেছে নিন, সেই অবস্থার জন্য বাড়তি কাগজগুলো তালিকায় যোগ হবে।
৮টির মধ্যে ০টি প্রস্তুত
তুরস্ক ভিসার খরচ কত?
জনপ্রতি হিসাব। অফিসিয়াল ফি দূতাবাস, ভিসা সেন্টার বা পোর্টালে দিতে হয়; আমাদের সার্ভিস ফি আলাদা।
| ফি | জনপ্রতি |
|---|---|
| সিঙ্গেল এন্ট্রি স্টিকার ভিসা, ৩ মাসভিসা সেন্টারে দিতে হয় | ৳২৫,৭৪০ |
| সিঙ্গেল এন্ট্রি স্টিকার ভিসা, ৬ মাসভিসা সেন্টারে দিতে হয় | ৳২৮,৭৩০ |
| সিঙ্গেল এন্ট্রি স্টিকার ভিসা, ১২ মাসভিসা সেন্টারে দিতে হয় | ৳৩১,৭২০ |
| মাল্টিপল এন্ট্রি স্টিকার ভিসা, ৩ মাসভিসা সেন্টারে দিতে হয় | ৳৪১,৩৪০ |
| মাল্টিপল এন্ট্রি স্টিকার ভিসা, ৬ মাসভিসা সেন্টারে দিতে হয় | ৳৪৪,৩৩০ |
| মাল্টিপল এন্ট্রি স্টিকার ভিসা, ১২ মাসভিসা সেন্টারে দিতে হয় | ৳৪৭,৩২০ |
| প্রিমিয়াম লাউঞ্জ (ঐচ্ছিক)ভিসা সেন্টারে দিতে হয় | ৳৮,২২৩ |
| বায়োমেট্রিক ফটো ফিভিসা সেন্টারে দিতে হয় | ৳২১৫ |
| ফ্লাইনেক্সট সার্ভিস ফিফ্লাইনেক্সটকে দিতে হয় | জিজ্ঞাসা করুন |
| আমাদের সার্ভিস ফি ছাড়া মোট | ৳২,২৭,৬১৮ |
তুরস্ক ভিসার আবেদন কীভাবে করব?
- ১
দেখুন আপনি ই-ভিসার জন্য যোগ্য কি না
আপনার যদি ইতিমধ্যে বৈধ শেনজেন, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য বা আয়ারল্যান্ডের ভিসা বা রেসিডেন্স পারমিট থাকে, তাহলে evisa.gov.tr-এ অনলাইনে সিঙ্গেল এন্ট্রি, এক মাস মেয়াদি ই-ভিসার আবেদন করতে পারেন। না থাকলে নিচের স্টিকার ভিসার রুটে চলে যান।
- ২
স্টিকার ভিসার ডকুমেন্ট প্রস্তুত করুন
উপরের চেকলিস্ট অনুযায়ী কাগজপত্র জোগাড় করুন, যার মধ্যে আছে ব্যাংক স্টেটমেন্ট ও সলভেন্সি সার্টিফিকেট, কভার লেটার এবং আপনার পেশা অনুযায়ী নির্দিষ্ট কাগজপত্র (নিয়োগকর্তার এনওসি, ট্রেড লাইসেন্স ইত্যাদি)।
- ৩
মোজাইক ভিসায় অ্যাপয়েন্টমেন্ট বুক করুন
https://appointment.mosaicvisa.com/mission/6 এ বুক করুন — ১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ থেকে এটিই বাংলাদেশের একমাত্র অনুমোদিত তুরস্ক ভিসা আবেদন কেন্দ্র। মোজাইক ভিসা অনুযায়ী অ্যাপয়েন্টমেন্ট ছাড়াও 'প্রাইম টাইম' ওয়াক-ইন সেবা আছে।
- ৪
সশরীরে মোজাইক ভিসা, বনানীতে যান
হাউজ ৭৭, ব্লক এম, রোড ১১, বনানী, ঢাকা ঠিকানায় রবি–বৃহস্পতিবার সকাল ৯:০০–বিকেল ৪:০০-এর মধ্যে ডকুমেন্ট, ছবি/বায়োমেট্রিক্স জমা দিন এবং নগদে (টাকায়) সব ফি পরিশোধ করুন।
- ৫
প্রসেসিংয়ের অপেক্ষা করুন
মোজাইক ভিসা জানায় প্রসেসিংয়ে সর্বোচ্চ ৪৫ দিন লাগতে পারে, তাই ভ্রমণের তারিখের অনেক আগেই আবেদন করুন।
- ৬
পাসপোর্ট সংগ্রহ করুন
মোজাইক ভিসার সংগ্রহের সময় রবি–বৃহস্পতিবার দুপুর ২:০০–সন্ধ্যা ৬:০০, ভিএসি-র নিজস্ব ওয়েবসাইট অনুযায়ী।
ঢাকায় কোথায় আবেদন করব?
মোজাইক ভিসা (বাংলাদেশের জন্য তুরস্ক ভিসা আবেদন কেন্দ্র)
হাউজ ৭৭, ব্লক এম, রোড ১১, বনানী, ঢাকা
১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ থেকে একমাত্র অনুমোদিত কেন্দ্র, আগের অপারেটরের জায়গায়। আবেদনের সময় রবি–বৃহস্পতিবার সকাল ৯:০০–বিকেল ৪:০০; পাসপোর্ট সংগ্রহ দুপুর ২:০০–সন্ধ্যা ৬:০০; শুক্র-শনিবার বন্ধ। ফোন +880 2 4881 1570 / +880 1315063037, ইমেইল bangladesh@mosaicvisa.com।
তুরস্ক ভিসা নিয়ে মানুষ আর কী জানতে চায়?
শুধু তাঁরাই পান যাঁদের ইতিমধ্যে বৈধ শেনজেন, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য বা আয়ারল্যান্ডের ভিসা বা রেসিডেন্স পারমিট আছে, mfa.gov.tr অনুযায়ী। যাঁদের এগুলো নেই, তাঁদের ঢাকায় মোজাইক ভিসার মাধ্যমে সরাসরি স্টিকার ভিসার আবেদন করতে হবে।
হাউজ ৭৭, ব্লক এম, রোড ১১, বনানী, ঢাকায় মোজাইক ভিসায়। এটি একটি পরিবর্তন: ঢাকার তুরস্ক দূতাবাস ১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ থেকে মোজাইক ভিসাকে একমাত্র অনুমোদিত কেন্দ্র ঘোষণা করেছে, আগের অপারেটরের জায়গায়।
মোজাইক ভিসায় সিঙ্গেল এন্ট্রি, ৩ মাসের স্টিকার ভিসার খরচ ২৫,৭৪০ টাকা, প্রিমিয়াম লাউঞ্জ বা বায়োমেট্রিক ফটো ফি-র মতো ঐচ্ছিক সেবা বাদে। evisa.gov.tr অ্যাক্সেস করা যায়নি বলে এই সেশনে ই-ভিসার ফি নিশ্চিত করা যায়নি — ই-ভিসার যোগ্য হলে FlyNext-কে জিজ্ঞাসা করে নিশ্চিত করে নিন।
মোজাইক ভিসা জানায় স্টিকার ভিসা প্রসেসিংয়ে সর্বোচ্চ ৪৫ দিন লাগতে পারে, তাই অনেক আগেই আবেদন করুন। এই সেশনে ই-ভিসার প্রসেসিং টাইম কোনো অফিসিয়াল পাতায় নিশ্চিত হয়নি।
না — এটি তুরস্কের নিজস্ব ইলেকট্রনিক ভিসা, শেনজেন থেকে আলাদা। বাংলাদেশিদের জন্য বর্তমানে শুধু তাঁরাই এর জন্য আবেদন করতে পারেন, যাঁদের ইতিমধ্যে আলাদাভাবে বৈধ শেনজেন (বা যুক্তরাষ্ট্র/যুক্তরাজ্য/আয়ারল্যান্ড) ভিসা বা রেসিডেন্স পারমিট আছে; এটি সেই অন্য ভিসার বিকল্প বা অন্তর্ভুক্ত নয়।
হ্যাঁ, ৯০ দিন পর্যন্ত, mfa.gov.tr অনুযায়ী। এই অব্যাহতি শুধু কূটনৈতিক ও অফিশিয়াল/সার্ভিস পাসপোর্টের জন্য, সাধারণ ট্যুরিস্ট পাসপোর্টের জন্য প্রযোজ্য নয়।
না। ভিসা দেওয়া হবে কিনা, সেই সিদ্ধান্ত নেয় কেবল দূতাবাস, হাইকমিশন বা ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ। তাই কোনো এজেন্সিই সৎভাবে ভিসার গ্যারান্টি দিতে পারে না। আমরা নিশ্চিত করি যে আপনার ফাইল সম্পূর্ণ, তথ্যগুলো একটার সঙ্গে আরেকটা মেলে এবং অফিসিয়াল চেকলিস্ট অনুযায়ী সাজানো, যাতে প্রত্যাখ্যানের সাধারণ কারণগুলো এড়ানো যায়। বাড়তি টাকার বিনিময়ে “গ্যারান্টি ভিসা”র প্রতিশ্রুতি দিলে সতর্ক থাকুন।
হ্যাঁ। প্রত্যাখ্যানের চিঠি (রিফিউজাল লেটার) আর আগে জমা দেওয়া কাগজপত্র আমাদের পাঠান। দূতাবাস যে কারণ দেখিয়েছে, যেমন আর্থিক প্রমাণ দুর্বল, ভ্রমণের উদ্দেশ্য অস্পষ্ট বা কাগজ অসম্পূর্ণ, সেটি ঠিক করে তারপর নতুন আবেদন করা হয়। একই ফাইল দিয়ে আবার আবেদন করলে ফলাফল সাধারণত একই হয়। আবেদন ফর্মে জানতে চাইলে আগের রিফিউজালের কথা অবশ্যই উল্লেখ করুন; গোপন করলে দীর্ঘ মেয়াদে নিষেধাজ্ঞা আসতে পারে।
দূতাবাসের নিয়ম যেকোনো সময় বদলাতে পারে। আবেদনের আগে সর্বশেষ চেকলিস্ট নিশ্চিত করতে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন।




